গল্প
অবাকিতে ভরা এক সন্ধ্যায়, রাজকুমার আরজুন প্রস্থ দিয়ে প্রজাপতির উদ্যানে বেড়াচ্ছেন। রাজধানীর শহরের সমাজ থেকে অতীত, এখন তার পছন্দের স্থানে যেতে আগ্রহী ছিল। তার চোখে দৃশ্যগুলি রঙিন ছবির মতো ছিল - প্রজাপতির ফুল, সুরবর্ণের পাখি, আর নিম্নে প্রবল নদীর ধারা। এই সৌন্দর্যের সম্মেলনে প্রজাপতির উদ্যান আরজুনের মনে ছিল এক মহৎ সম্পত্তি। তার চলার পথে একটি পাখির বাঁধা দেখা গেল। সে দেখে চমকে উঠে আরজুন। তার মনে প্রশ্ন উঠলো - কেন এই পাখি এখানে? এত দুর্বল, প্রাণহানির সংকটে কেন এই বাঁধা? সে বাঁধা নিয়ে সত্যিকারের উদ্ধারের লক্ষ্যে নিশ্চিত হলো। সাধারণত এই প্রজাপতির উদ্যানে অজানা মানুষের চোখে মনে হয় না এই পাখির বাঁধায়। সেই সুন্দর সম্পদটি অদৃশ্য থাকায় সবার চোখের সামনে মনে হয় এর মূল্য বোঝা যায় না। আরজুন সে বাঁধা আগে দেখেননি, কিন্তু এখন যখন দেখলেন, সে ভুল করতে পারেননি যে সে এটি গুরুত্বপূর্ণ বোঝেনা। সে বাঁধা যেন একটি পরীর মন্দির, যেখানে বিশেষ যাত্রীরা বার্ষিক অফের এবং অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য আসেন। কিন্তু এই পরীর মন্দিরের কোন নির্দিষ্ট আদান-প্রদান অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সে প্রথম পাশে একজন...